(সেতুর গোড়ায় বাদামী মেয়েটার কালো চুল উড়ছিল জলশুদ্ধ)
সেদিন অনিয়ম দিবস ।
নগরের পরিত্যক্ত মসজিদটির তালা ভেঙ্গে আজগুবি লোকগুলো জামা খুলে দিয়েছিল ।
মেঘগুলো জল দেবেনা,
অচল ঘোড়ার গাড়িতে দুদিনের লাশ আর মাথায় ঠোঁটে শ'খানেক মাছি ।
ম্যানহোলের ডালার ওপাশে একটা মানুষের বাচ্চা হাত পা বাঁধা,
একবিন্দু দুঃখকে আঁকড়ে ভেসেছিল গলন্ত মাথা ।
সময়টা দূষিত বায়ু বা প্রচুর দূরবর্তী সমূদ্রের নিয়মে তারিখের তালিকায় ফিরে গিয়েছিল ঠিক,
তবে প্রেম হারাল তাবৎ পুরনো মানুষ আর স্বচ্ছ হৃদপিন্ড
তিনদিনের ভুখা মেয়েমানুষ পথেই শোয়, পরের বেলার দুটো রুটি বা সবজিভাতের নিশ্চয়তায় ।
জন্তুমুখো পুরুষগুলো চোয়ালের কার্যপ্রণালী সমৃদ্ধ করে
ফুটপাতের চাপা গোঙানি ল্যাম্পপোস্ট, ভাঙ্গা সাইনবোর্ড,
দুর্গন্ধসর্বস্ব খাল আর পাগলের শরীর ।
বিক্রি না হওয়া সবজিগুলো একত্রিত হবে,
পিপড়ের বাসা বনে পচতে থাকবে যদিনা আবর্জনার গাড়ি খবর পায় ।
যদি ভুল করে বৃষ্টি ঘটে জলও জমবে, কাদা হবে,
চেনা দোকানে দেনা বাড়বে,
ইট ভাঙা বুড়োমানুষটা থ্যাঁতলানো হাত নিয়েও বাসি ভাতে বসে যাবে রোদশুদ্ধ দুপুরবেলায় ।
২৫ জুলাই ২০১০
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন