১১/৮/১০

০৩

(সাবধানে কাটা তবু রক্ত গড়িয়ে পড়ে)

এরা বিচ্ছিন্ন অতঃপর

বাঁ পাশে মাথা তোলা বিকৃত সাইনবোর্ড
হাজার বৎসরের জমাট যন্ত্রণায় কালো হয়ে থাকা
ক্রমশঃ রক্তের গায়ে জমা পড়ে জোড়া জোড়া পদচ্ছাপ, এরা যায়

সভ্যতা এবং শহর,
লকলকে হলুদ জিব, সন্নিবিষ্ট অনুভূতি,
ক্রমান্বয়ে ভাঙতে থাকা আলোর দালান,
উগরানো বাক্যের ভীড়ে কিছু আঁচড়, গভীরতর
সীমিত বক্রতার নিজস্ব খনন, সঞ্চরণশীল
লালসার ব্যাপ্তিতে অপ্রাপ্তি
প্রচুর ঝড়-জল,
রাস্তার পর্যাপ্ত কাদায় টেনে টেনে রিকশা
বাসগুলোর থেমে থাকা, চলে যাওয়া ।

খাওয়া-পরার চিন্তা নেই বলে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে, বিলবোর্ডগুলো
কেউ কেউ ব্যানারে লজ্জা ঢাকতে পারছে,
হতভাগা শহরটার কাপড় নেই, বড়সড় লজ্জা বুকে কুঁকড়ে
নামে রাত, নামতে নামতে বেঁকে যায় উঁচু উঁচু ভবনের শরীরে
সময় এবং অসময় মাতে একে অন্যের উপহাসে
ফাঁকতালে চুরি হয় ।
বেশিরভাগ মানুষ ঘুমন্ত, সম্ভবত কেননা
কেউ ভাবছেই না পুড়ে যাচ্ছে পৃথিবী , কেউ ভাবেনা কখনও ।

বর্ষার মেঘ সবিশেষ,
বর্ষণের আশ্বাসে উড়ে আসে প্রশস্ত আকাশে ।
নির্ধারিত পরিক্রমায় পাতা ওল্টাতে
দখিনের হাওয়া দিক ভুলে জল ছুঁয়ে জড়ো হয়
কোন নিঃসঙ্গ গাছের নীচে
পরবর্তী গন্তব্য মানচিত্র হতে মুছে যায় ।

২২ জুলাই ২০১০

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন