১১/৮/১০

০৭

 (এক টিনের কৌটোতে শহরের নামী কবিরাজদের নাম লেখা চিরকুট)

কেউ ঘুমায়,
কেউ ভান করে গুহাবাসী বাঁচে
অবশিষ্ট জেগে রাত্রি দ্যাখে,
চুলের কোলে ধুলো পোষে,
ঝরা পাতা, ঘামের বিন্দু, শিশিরের দাগ,
গাড়ীর তেরচা আলো
আস্তে করে রাত বুড়ো হয় ।

ফলের দোকান, আন্ডারপাস, ওষুধের দোকান,
ময়লার বাক্সে ফেলে দেয়া পলিথিন ব্যাগ, ডিমের ভাঙ্গা খোসা ।
এই এক টেম্পো শব্দ দিল
ফুরোতে ফুরোতে রাত রোদের গায়ে ঘন ঘন সুড়সুড়ি দিয়ে যায়
তাই চোখ কচলানো ভোর
সাক্ষী ছিলাম বলে চুয়ান্ন ধারায় গ্রেপ্তার ।

ভাঙাচোরা ঘরটা জানলাটা দেখছি,
তারপরও কী গাঢ় ভালবাসা
সংজ্ঞা নিয়ে কেউ নেই প্রশ্ন তুলবার
যাত্রী ছাউনী, আশ্রয় সর্বশেষ, পায়ে হাঁটা মৃত মানুষ দেখি ।

স্টেশনের খুচরো লোকগুলো
বুকে বোতাম নেই,
খুড়তে খুড়তে ফুটো শহরের মেঝে, শেষে মরেছে
কিছু জৈবিক ছত্রাক রেখে অবশেষ,
লজ্জার স্থিতিস্থাপক বেলুন, ব্যবহৃত শিশিগুলো;
জং ধরে ক্ষয়ে যাওয়া ছুরিতে খোদাই, অনিবার্য অপঘাত 


২৯ জুলাই ২০১০

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন