রেখার মতোন এক পথ আকাশকে উল্টো করে ধরে
আঁধার যাচ্ছে মানুষ আর পৃথিবীর হৃদপিণ্ডে,
সন্ধ্যের পর পর খুব দূরের কাউকে আরো দূরে তাকাতে দেখে
ভীষণ মাতাল এই অপহৃতবাস, পেসমেকারে কেন ফিরবো
খুব খুব কষ তাই এর থেকে হাত সরাবার পরও দেরি হয়;
সম্ভবত পাঁজর খারাপ, কিংবা করোটি, তার ভেতরে
দুঃস্বপ্ন নির্মাণের রাত, অমাবস্যার ঝুলন্ত উপসংহারগুলো
হাতে বানানো আকাশে
প্রভাতে সায়াহ্নের ভাঁজপরা মেঘ
বড্ড জলজ্যান্ত ।।
৫/৭/১১
১/৫/১১
৫৫
আলোর দিকে উরু তুলে
আমাদের দ্যাখে ওটা
বুড়োদের বুড়োরাই গিলছে,
পাশে যারা বেঁচে ছিল
এমনি এমনি শেষ
আমাদের দিকে
তাক করা আছে চাঁদ
কী কী আছে
টেনেটুনে বাঁচা এই পৃথিবীর জন্যে;
বাতাস এবং জোৎস্নার পেন্টিং বানালো
এক কালোচুল বুড়োমতন লোক
গত হাজার জীবন তা-ই
আমাদের দেখতে হচ্ছে -
লাল এবং চুঁইয়ে পড়া তাঁবুর কোণা -
হাতের মুঠোতে তুলে জামা গুটিয়ে -
দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এক ঠাঁয় -
হাস্নাহেনার পর হাস্নাহেনা -
যুদ্ধের পর যুদ্ধ
ক্রমাগত নাম পাল্টাচ্ছে আর
লেপ্টে যাচ্ছে বিভিন্ন দেয়ালে ।।
আমাদের দ্যাখে ওটা
বুড়োদের বুড়োরাই গিলছে,
পাশে যারা বেঁচে ছিল
এমনি এমনি শেষ
আমাদের দিকে
তাক করা আছে চাঁদ
কী কী আছে
টেনেটুনে বাঁচা এই পৃথিবীর জন্যে;
বাতাস এবং জোৎস্নার পেন্টিং বানালো
এক কালোচুল বুড়োমতন লোক
গত হাজার জীবন তা-ই
আমাদের দেখতে হচ্ছে -
লাল এবং চুঁইয়ে পড়া তাঁবুর কোণা -
হাতের মুঠোতে তুলে জামা গুটিয়ে -
দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এক ঠাঁয় -
হাস্নাহেনার পর হাস্নাহেনা -
যুদ্ধের পর যুদ্ধ
ক্রমাগত নাম পাল্টাচ্ছে আর
লেপ্টে যাচ্ছে বিভিন্ন দেয়ালে ।।
২১/৩/১১
৫৪
চড়া ধারাপাত
আঙুলে আঙুলে পাপ
হাড়ে হাড়ে সংগীত
এমনই প্রকট পঙ্গু বৃত্তবাসী ট্র্যাপিজিয়ম
প্রান্তে দাঁড়ায় ভেতরে তাকায়
ওর এই দিনগুলো আসে, স্পর্শকাতর পাথর
ভাবে সূর্যাস্তই সব, কথা রাখে কথা দেয়
ভুলভাবে ভুল ভাবে, ডেকে নেয়
গভীরে শীতকাল; জমে ওঠে বিধাতার নীরবতা;
ছুঁতে চায়, সরে যান ঋণাত্মক বাক্যগণ, তাই
ভুলতে চেয়েছে এবং ভুলেছে
কর্কটের মাঠ, সূর্য জমা দূর্বা;
পৃষ্ঠা উল্টে যায়, এরপরও -
তবেই না ভাষা পাবে পুরাতন, আর -
ওর নিজস্ব ডাক, পাঠায়
খুব ধীরে রোদের স্বচ্ছ শরীরে;
সান্ত্বনার আর্দ্রতায় হচ্ছে না আর
কিছু অদ্ভুত বৃত্তে বন্দী হতে হতে ভাবে
মিথ্যে সব ধুলো আর বসন্তের ডাল
এইসব ব্যথার ফুটো দিয়ে আরো একটু উপরে উঠে
একবার আকাশ দেখবে অনুচ্ছেদ
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)