১৩/৯/১০

৩০

লোকজন প্রচুর টমেটো খাচ্ছে আজকাল
বিকেলের গোটানো রোদে ছুটতে গিয়েও
ওদের দু দুটো লেংচানো গাড়ীর সাথে লেগে গেলো,
ওর আগে-পিছে-পাশাপাশি-কোণাকুনি
কোনোভাবেই হাঁটতে প্রবৃত্তি নেই,
এরই মাঝে এক লোক আর তার ছায়া
দুই বালতি রক্ত নিয়ে দাঁড়ালো,
পেছনের পকেটে পয়সা নেই
সামনের ডানদিকে বইয়ের ক্যাটালগ
বামদিকে বাসের টিকিট ছেঁড়া,

মানবীয় চুলের দূর্দান্ত দাঁড়ানোতে
ভয় লাগছে ছেলেমানুষি
কেউ একজন যদি এসে জিজ্ঞেস করে
কেন এভাবে ছিঁড়ে ফেলেছি নিজেকে !

২৯

বেঁটে মানুষগুলো হঠাৎ কি চমৎকার লম্বা বনে গেলো
বসবার নীচু বেঞ্চিতে মৃত পাতারা পুরু হয়ে জমলো
ডান বাম দেখে দুটো কুকুরের একটি আরেকটিকে জাপ্টে ধরলো
আর কোন কাক নেই কি সর্বনাশ !!
খুব একা কেউ টেপরেকর্ডারে কা কা বাজায়,
বারান্দায় ভয়ংকর মেঘ আর ধুলো
ছুটি পাইনি বলে বিদেশী গান ধরেছি
বিদ্যুৎ গেলে বাইরেটা দেখব আর
এর সাথে কোন সিংগেল সানডে হবে কি-না
খাতায় লিখছি আর ভাবছি ।

২৮

স্বপ্নে রাতভর নিষিদ্ধ গল্পের নির্বাসন চলল,
ধীরে ধীরে ঘরের মধ্যে অসম্ভব রোদ
বিদেশী গান শুনতে শুনতে খুব দূরে রিকশা পেতে
কেউ একটা লোক হারিয়ে যায়
প্রচুর ভোর আর ছুটি বলে মানুষজন খুব আসেনি
আর জল ঝরছিল দারুণ আকাশের ফোঁটার মত
গোলাপী শহরের জানলাগুলো সবই বোধহয় সবুজ
কেউ একজন মাইকে করে অন্য কাউকে ডেকে গেল
ডাকাডাকির পথঘাটে যারা ছিল ইচ্ছে করে ভুলে গেল
পৃথিবীর কথা ।

হাঁটতে পারে কি পারে না এক মানুষের বাচ্চা
কি না কি ভাবতে ভাবতে হোটেলের মুখে পড়ে থাকা
মৃত কয়লার উপর উপুড় হয়ে ভয়ানক কাঁদে ।
___________________
১৩ সেপ্টেম্বর ২০১০